ঈশ্বর বা কোনো এক স্রষ্টা এই পৃথিবীকে নির্দিষ্ট কারোর দখলহীন জায়গা হিসেবে আমাদের উপহার দিয়েছেন৷ সেটাই আমাদের জন্মস্থান বা বাসস্থান৷ আগামীতে অন্য কোনো গ্রহতে মানুষ জাতীয় কেউ কেউ চলে যাবে, বা সেখানে মানুষ জন্ম নেবে, কিন্তু সেখানে তার যে অস্তিত্ব তার উৎস এই পৃথিবী নামক গ্রহ৷
কেউ বলবেন, যদি এমন হয় যে এই সৌরলোকের অন্য কোনো গ্রহে বা বাইরে অন্য কোনো অবস্থানে কোনো মানুষ জাতি আছে বা আরো সেরা জীব কিছু থাকতে পারে, সে ক্ষেত্রে কী বলব আমি৷
সে ক্ষেত্রে আমি বলব যে, এই পৃথিবীর মতো কথাগুলি সেখানেও সত্য৷ কারণ, স্রষ্টা উন্নত জ্ঞানধারী জীবনের জন্য যা দিয়েছেন সেটা সবার ভিতর বিতরণ করে বাঁচবার জন্য, সেটা করা হয়না বলেই এতো অশান্তি৷ অনেকে বলেন কোনো কোনো গ্রহে নাকি জল ছিল, ও নানা প্রমাণ পাওয়া যায়---সেখানে জীবজগৎ ছিল কোনো এক সময়৷ কিন্তু আজ সব ধ্বংস, কারণ, সেখানকার প্রকৃতি থেকে পাওয়া সম্পদকে সবাই নিয়ে স্বাভাবিক ভাবে বাঁচতে পারেনি, আগ্রাসনের লালসা চালিয়েছিল, তাই ধ্বংস হয়েছে৷
এই সত্যটা, সব সভ্যতাতে সত্য৷ এ গ্রহেই হোক, অন্য গ্রহেই হোক৷ মহাবিশ্বের কোনো অজানা বিপদ এসে আমাদের বা যে কোনো গ্রহের সভ্যতাকে নষ্ট করতে পারে, সেটা আলাদা, কিন্তু মানুষ যখন নিজের বিকৃত বিবেচনার দ্বারা নিজেদের নষ্ট করে, সেই নষ্টের হাত থেকে রেহাই পেয়ে বাঁচবার জন্য আমাদের সঠিক পথ অবলম্বন করা উচিত৷ সেটাই কেউ বলবে ধর্মের পথ৷ কেউ বলবে সততার পথ৷
আমি মনে করি এগুলি সব ঠিক৷ কারণ, প্রকৃত ধর্ম যদি মানবতা হয়, বা উন্নত ভাবনা ও পথকে অনুসরণ করা হয়, তবে সেই ‘ধর্ম’ নামক একটা কিছুর মূল্য অপরিসীম৷
কিন্তু, সেই সবকে এমন একটা প্রকরণে মেলাতে হবে, সেটা স্থায়ী ভাবেই স্বস্তি দেবে৷ সেই জন্যই ২০১৭ এর ১৫-ই জানুয়ারি থেকে আমি চালু করতে চলেছি পৃথিবীর জন্মদিন উপলক্ষে ‘আর্থ এন্ড আর্ট রিভল্যুশন ডে’ বা পৃথিবী ও কলা বিপ্লব দিবস’৷
আমরা পৃথিবীকে খড়ির গন্ডি এঁকে টুকরো টুকরো করি, আর একটি দেশ বানিয়ে একে অপরের সাথে রেষারেষি করি, সত্যি কি আমরা পৃথিবীকে টুকরো-টুকরো করতে পেরেছি৷ পারিনি৷ বরং পৃথিবীকে টুকরো-টুকরো করতে গিয়ে আমরাই টুকরো-টুকরো হচ্ছি বার বার৷
তাই পৃথিবীর যে কোনো অঞ্চলের জীব বা প্রকৃতির ওপর কোনো লালসার প্রভাব এসে বাকি পৃথিবীর এলাকাতে প্রভাব বিস্তার করে৷
আবার নানা কারণে সবাই সব দেশে যাই, শিক্ষা, চিকিৎসা, প্রেম, ভ্রমণ ও গবেষণার জন্য৷ এর মানে আমরা পৃথিবীবাসী৷ পৃথিবীটাই একটা স্থায়ী দেশ আমাদের কাছে৷ আর তথাকথিত নিয়মের দেশগুলি হল খন্ড দেশ৷
বোধ হয়, এমনটা বললেই ঠিক বলা হয়৷
না, আমিও পৃথক বা খণ্ড দেশের অস্তিত্ব মানি, এই বইতে আমি অন্য স্থানেও তা বলেছি, এখানেও কথা প্রসঙ্গে তা আবার বলতে হচ্ছে৷ কারণ, শত শত কোটি মানুষের ভারসাম্য রাখার জন্য এটা দরকার৷ কিন্তু মানুষকে ও সমগ্র জীবজগৎকে নিয়ে যখন ভুল পথে ইচ্ছাকৃত ভাবে বা ভুলবশত চালিত করা হয়, তখন সেটা সর্বনাশের কারণ৷ সব খণ্ড দেশের অস্তিত্ব মেনেই আমার এই পদ্ধতি---পৃথিবীর জন্মদিন উপলক্ষে ‘আর্থ এন্ড আর্ট রিভল্যুশন ডে’ বা ‘পৃথিবী ও কলা বিপ্লব দিবস’৷ কারণ এই পথেই সারা পৃথিবীর মানসিক দূষণ রোধ হবে৷ মানসিক দূষণ রোধ হলেই মানুষ সাবলীল৷ আর তখন আসবে স্থায়ী বিশ্বশান্তি৷ আপনি যেমন চাইছেন তেমনি বিশ্ববাসীও চাইছে, রাষ্ট্রসংঘ চাইছে, আর সে জন্য তাঁরা নানা আন্তর্জাতিক দিবস চালু করেছে এবং করছে, আর সেই সুফলে আমরা তো টিকে আছি এতো দানবিক পরিস্থিতির মধ্য দিয়েও---আমি সেই পদ্ধতির পাশে আর একটি পদ্ধতি জুড়ে দিতে চাইছি মাত্র৷ কারণ, রাষ্ট্রসংঘ প্রত্যাশা করে জনগণ নিজেদের থেকেও সক্রিয় হোক বিশ্বশান্তি নিয়ে, তবেই তো তাঁদের বিশ্বশান্তির স্বপ্ন সফল হবে৷ তাঁরা তো আর অস্থায়ী শান্তি চান না৷ তাই আমিও তাঁদের স্বপ্নকে বাস্তবে রূপায়িত করতে আমার মতো করে পদ্ধতি আবিষ্কার করেছি৷ আর কিছু নয়৷
এভাবে ভাবছি ও কাজ করছি, একটা একটা৷ এ নিয়ে শুরু করেছিলাম কাজ ২০১৬ এর ৩১শে অক্টোবর অষ্ট্রেলিয়ার সিডনি থেকে, আগেই বলেছি, আর এখন আমি ২০১৭-এর পৃথিবীর জন্মদিনকে প্রথম পালন করার জন্য ব্যস্ত বা চিন্তিত, পূর্ব মেদিনপুরের নাটশাল গ্রামে, কীভাবে এটা ভালোভাবে হতে পারে---এই সব ভাবনা আছে, তখন অনেকে আমাকে অনুষ্ঠান বিষয়ে সহযোগিতা করার জন্য এগিয়ে এলো, তারা সাংস্কৃতিক বিষয়ে সহযোগিতা করার জন্য এগিয়ে এলো, তারা সাংস্কৃতিক বিষয়ে আমাকে নানাভাবে মতামত দিল৷ কেউ পরিচিত, কেউ পরিচিতের সূত্রে নতুন কেউ৷
এই অনুষ্ঠান হবে এমন অনুষ্ঠান, যেটা আন্তর্জাতিক মান বহন করবে৷ আর সেই ব্যাপারে আমি হয়তো ওয়াকিবহাল নয়৷ অন্যেরাও নয়৷ কিন্তু সাধ্য মতো যে যার ভাবনা ও ইচ্ছেটা আমাকে শেয়ার করছে৷
যদিও আমি বিদেশে অনেক বছর কাটিয়েছি, আর সেই সূত্রে নাগরিকও বটে, আবার সেই সূত্রে অনেক সময় নিজেকে ভাবি যে আমি শিল্পেরও অনেক কিছুই জানি৷
সব মানুষ কিছু না কিছু জানে নানা অভিজ্ঞতা থেকে, আমিও তা জানি, কিন্তু আমি শিল্পের বিষয়ে অনেক কিছু সঠিকভাবে না জানার জন্য অনুষ্ঠান নিয়ে পরপর কয়েক বছর কিছু খামতি থেকে গিয়েছিল৷ এটা আগে থেকেই বলে নিলাম এই কারণে যে, অনুষ্ঠানগুলো নিয়ে কেউ কেউ বলেছিলেন, ‘মাইকেল যে অর্থ খরচ করছে, সেই তুলনায় অনুষ্ঠান আরো গোছানো এবং উন্নত মানের হতে পারতো৷’
এসব কথা অনেক বলে, কিন্তু তারা এটা স্বীকার করে যে, আমার অনুষ্ঠানের পদ্ধতিগত ব্যাপারগুলি আন্তর্জাতিক মানের৷ বরং অনেকটা বেশি আন্তর্জাতিক৷
আর একটা কথা, কাজ করতে করতে আমার অভিজ্ঞতা বাড়বে৷ বাড়বে দুরদৃষ্টি৷ বাড়বে আমার কাজ বা পছন্দের জিনিসগুলিতে ত্রুটি ধরার ক্ষমতা৷ এই সত্যটা অনেক দেরিতে বুঝেছিলাম, যখন আমার অকারণে অনেক অর্থ বেরিয়ে গেছে৷ কিছু ভালো কাজ বা ভালো অনুষ্ঠান হয়েছে প্রতিটি মঞ্চে, যদিও সামগ্রিকভাবে আমাকে আমার কঠিন সমালোচকগণও বাহবা দিচ্ছেন এই কারণে যে, আমার স্বপ্ন আন্তর্জাতিক, বিষয়টা চমকপ্রদ এবং অনেক প্রগতিমুখী৷ ২০১৯ সালের জানুয়ারি অবধি সব অনুষ্ঠানে এইভাবেই মিলেমিশে চলছিল, কিন্তু আমি পরপর অনেক কিছু ভাবতে শিখলাম৷
আমি খোলামেলা আলোচনা করছি, কারণ, এটা পৃথিবী নিয়ে কাজ, সবাই পৃথিবীর নাগরিক৷ এক পরিবার৷
আমি আগে পিছে কথাগুলি বলে যাচ্ছি, কারণ, এই বিষয়টি এমন যে, সেইভাবেই ভালো লাগবে৷ বুঝতে ভালো লাগবে৷ জানতে ভালো লাগবে৷
আবার আসছি, প্রথম অনুষ্ঠান থেকে আমি বিশেষ যে ভাবনাটা ভেবেছিলাম, তাই নিয়ে, ভাবনাটা অষ্ট্রেলিয়াতে করেছিলাম, কিন্তু সেটার প্রকরণগত শ্রীবৃদ্ধি পরপর হতে থাকলো৷ আর সেটা হল পৃথিবীর জন্মদিনে আন্তর্জাতিক পুরস্কার নিয়ে৷
ভেবেছিলাম যে, পৃথিবীকে সুস্থ ও সবল রাখতে যেসব মানুষের সরাসরি বা পরোক্ষ ভাবে হলেও খুব শক্তিশালী ভূমিকা আছে, তাঁদেরকে নানা দেশ থেকে এনে পুরস্কৃত করা৷
নাম দিলাম ‘‘ইন্টারন্যাশন্যাল গ্রেট সিভিলাইজড অ্যাওয়ার্ড’’ ও ‘‘জেম অব দি আর্থ অ্যাওয়ার্ড’’৷
প্রত্যেকটি বিভাগে তিনটি করে পুরস্কার৷
‘‘ইন্টারন্যাশন্যাল গ্রেট সিভিলাইজড অ্যাওয়ার্ড’’ হল যাঁরা পৃথিবীকে সুস্থ রাখতে নিজেরা সুস্থ নাগরিক হিসাবে প্রমাণ দিতে পারবেন বিশেষভাবে, তাঁরা এই বিভাগের তিনটির কোনো না কোনো তালিকাতে আসবেন৷
আর, ‘‘জেম অব দি আর্থ অ্যাওয়ার্ড’’ তাঁদের দেওয়া হবে, যাঁরা কোনো সৃষ্টির মধ্য দিয়ে বা বিশেষ আত্মত্যাগের ভিতর দিয়ে পৃথিবীকে সুস্থ রাখবার বা এগিয়ে দেবার কাজ করছেন৷
এবার একটা কথা, এই পুরস্কারগুলি নিয়ে একটু খুলে বলতেই হয়৷ না হলে এর বিষয়ভিত্তিক গভীরতা বোঝা যাবে না৷
‘‘ইন্টারন্যাশন্যাল গ্রেট সিভিলাইজড অ্যাওয়ার্ড’’ তিনটি ধারায় নির্মিত৷
(১) Real Gentleman Award (২) Real Gentlewoman Award
(৩)Beautiful Minded Person/s Award
আসলে পৃথিবী যতই সুন্দর হোক না কেন, যদি সুন্দর মানুষ না থাকে তবে পৃথিবী সুন্দর থাকতে পারে না৷ কারণ, পৃথিবীকে রক্ষার একটা অলিখিত দায়িত্ব মানুষের ওপর ন্যস্ত করেছে পৃথিবীমাতা৷ যেহেতু সবচেয়ে বেশি চেতনা প্রবণ জীব মানুষ৷ সম্ভবত৷
দার্শনিক হার্বাট স্পেনসার-ই বোধ হয় বলেছেন, ‘‘কল্পনা শক্তি দ্বারা মানুষ ঈশ্বরের সমান!’’ এই রকম একটা চমকপ্রদ কথা৷
আমি বোঝাতে চাই যে, মানুষ জাতিটার দায়িত্ব!
যাইহোক, যা বলছিলাম, এই ভালো মানুষের সংখ্যাও যে পৃথিবীতে লুকিয়ে চুরিয়ে অনেক, সেটা যখন পৃথিবীর কাছে দেখাবো বার বার, তখন সকলে উৎসাহিত হবে এই ভেবে যে পৃথিবী তবে অসহায় নয় পুরোপুরি৷ মানব জাতি নিজেদের নিয়ে ও সমগ্র জীব জগৎ নিয়ে অনেক কিছু আশা করতে পারে৷
এই পুরস্কারগুলি কোনটা কোনটা গ্রুপ বা পরিবার ধরেও দেওয়া হতে পারে, কারণ, পৃথিবীতে গুণীর সংখ্যা অনেক, সেই তুলনায় গুণীদেরকে আনুষ্ঠানিকভাবে সম্মানিত করার সংস্থা কম, আমার তাই মনে হয়, সেই তুলনায় একটি সংস্থার ক্ষেত্রে যতখানি সম্ভব আমরা ততটাই করতে পারব৷
যাইহোক এবার আসছি, ‘‘জেম অব দি আর্থ অ্যাওয়ার্ড’’, এর তিন ভাগ নিয়ে আলোচনা৷ (১)Earth Lover Award (২)Earth Development Award (৩)Great Soldier of The Mother Earth Award.
আমরা দেখি, পৃথিবীতে প্রতিটি দেশকে রক্ষা করার জন্য সেই দেশের অনেক সৈনিক আছে৷ যদিও, কোস্টারিকা নামের লাতিন আমেরিকার স্প্যানিস ভাষার দেশটি ওদের সৈন্য বিভাগ তুলে দিয়েছে৷ কারণ, ওদের বক্তব্য হল, অর্থ লাগানো হোক শিক্ষা ও স্বাস্থ্যের জন্য৷ রেষারেষি চিন্তায় দেশের ও বিশ্বের অবনতি হয়৷ আর, এর ফলে কোনো উন্নতির কারণ কোথাও তৈরি হয় না৷
আসলে, অনেক কিছুই প্রচারের মধ্যে আসেনা অনেক সময়, কিন্তু অনেকেই পৃথিবী নিয়ে খুব ভাবছেন৷ এগুলি তার দু-একটি প্রমাণ৷
যেটা বলতে চাই, পৃথিবীতে প্রতিটি দেশকে রক্ষা করার জন্য সেই দেশের অনেক সৈনিক আছে জানি, কিন্তু পৃথিবীকে রক্ষা করার জন্য সৈনিক চাই৷ মানি, যাঁরা নিজের নিয়মে বিশ্বশান্তির জন্য অনেক কাজ করছেন, তাঁরা পৃথিবীকে রক্ষা করার জন্য সৈনিক৷ সেভাবে অনেকেই আছেন পৃথিবীতে, কিন্তু আমি একটি বিশেষ ভাবনাতে ও পদ্ধতিতে পৃথিবীকে রক্ষা করার জন্য সৈনিকদের খুঁজে-খুঁজে পুরস্কৃত করতে চাইছি আমার তৈরি সংস্থা থেকে৷ যাঁরা বিশেষ কোনো সৃষ্টি বা আবিষ্কার দিয়ে বা আত্মত্যাগ দিয়ে পৃথিবীকে রক্ষা করছেন৷
আসলে এই ধরনের নির্বাচনগুলিও খুব বিতর্কের ব্যাপার৷ কিন্তু, আমরা তো কোনো না কোনো উন্নত অভ্যাসের বা কর্মের মানুষদের সম্মান দিয়ে জন অরণ্যে তাঁদের বের করে এনে জনগণকে আরো ভাববার দিকে মানসিক ভাবে সচেতন করে তুলছি, এটাই আসল৷
কোনো পুরস্কারই বিতর্কের বাইরে নয়৷ নানা জনের নানা মতামত থাকে৷
কিন্তু, এর মধ্য দিয়েই আমরা এমন রীতি চালু করব পুরস্কার দেবার রীতির মধ্য দিয়ে, যেটা একটা বিশেষ প্রগতিশীল প্রকরণের মধ্যে পড়বে৷
আমরা তাই শুরু করলাম৷ ২০১৭-এ ১৫ই জানুয়ারির অনুষ্ঠান থেকে৷
অনেকে বলতে শুরু করল, এই বিষয়টা বেশ আলাদা একটা আদরণীয় ব্যাপার হবে৷
হলও তাই৷ এই পুরস্কারে জনপ্রিয়তা বাড়ল৷ পুরস্কারের রীতি অনুযায়ী সারা বিশ্বে নানা দেশ থেকে নির্বাচন করে আমরা পুরস্কৃত করতে শুরু করলাম৷ ২০১৯-এ এই পর্বটা অনেক বেশি করে জমে গেল৷ পদ্ধতি আরো নিটোল হলো৷ কিন্তু ২০১৭ থেকে এই বিষয়ের সব পুরস্কারের মান এক থাকলো৷ মর্যাদা একই৷ কিন্তু, সময়ের ধারায় পদ্ধতি ও প্রকরণ বদলে গেল৷
এই পৃথিবীর সব পুরস্কারে এমনটাই হয়৷ নোবেল, অস্কার কোথায় নয়৷ সবখানেই সব কাজেই সময়ের সাথে সাথে কর্মের প্রকাশভঙ্গি পৃথকতর হতে থাকে৷ তাই নিয়ে ভাববার কারণ নেই৷ আগে কেন আজকের মতো এত ভালো অমুক কাজ করতে পারলাম না---এই জাতীয় ভাবনা করাটা ভুল৷
তাই আমাদের এগিয়ে নিয়ে যেতে হবে, আরো আরো সফলতার দিকে, নতুনতার দিকে৷ মানুষের বিশ্বাসের দিকে৷